
শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২নং গিয়াসনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোশারফ টিটুকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা ও মতামত প্রকাশ পাচ্ছে।স্থানীয় সূত্র ও তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের বিপুল ভোটে ১২নং গিয়াসনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সাল থেকে তাকে ঘিরে বিভিন্ন বিরোধিতা ও আন্দোলন শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়।তার ভাষ্যমতে, একটি মহলের কিছু ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছেন এবং তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়।গোলাম মোশারফ টিটুর ভাষ্যমতে, ২০২৬ সালে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ দুই মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করে মুক্তি পান। তার দাবি, মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে এবং তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।তিনি বলেন, কারাগারের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত কঠিন ও কষ্টকর, যা তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন।এলাকাবাসীর একাংশ মনে করেন, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির কারণে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে অন্যদিকে, এ বিষয়ে বিভিন্ন মতামতও রয়েছে।এদিকে এসব অভিযোগ ও বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, মামলার বাদীপক্ষ বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্থানীয় পর্যায়ে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও মতভেদ দেখা যাচ্ছে।
